সংবাদদাতা: ফাদার অনিল ইগ্নেসিউস মারাণ্ডী
প্রেরিতদূত সাধু টমাসের ধর্মপল্লী, দেলুয়াবাড়ীতে ধর্মপল্লীর আয়োজনে ও রাজশাহী ধর্মপ্রদেশীয় হলি ক্রস ফ্যামিলি ও রোজারী মিনিস্ট্রি’র সহযোগিতায় পরিবারে জপমালা প্রার্থনা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ২১ থেকে ২২ মে অনুষ্ঠিত সেমিনারে ধর্মপল্লীর পাল পুরোহিত ফাদার পাত্রাস হাঁসদা, ফাদার অনিল মারাণ্ডী, ১ জন সেমিনারীয়ান, গ্রামের মহিলা-পুরুষ, যুবক- যুবতী ও ছেলে-মেয়েসহ ৫৬ জন অংশগ্রহণ করেন।
সেমিনারের মূলভাব ছিল, “এসো জপমালা প্রার্থনা করি, কুমারী মারীয়ার আদর্শে জীবন গড়ি”। ২১ মে সন্ধ্যায় সেমিনারের শুরুতে ছিল রোজারীমালা প্রার্থনা ও মা মারীয়া বিষয়ক ভিডিও প্রদর্শন। ২২ মে ফাদার অনিল মারাণ্ডী মূলবিষয়ের উপর আলোচনায় বলেন, অভিজ্ঞতা ও বাস্তবতায় দেখা যায় যে, পিতামাতাগণ তাদের সন্তানদের ‘ক্রুশের চিহ্ন’ শিখানোর পর ‘প্রণাম মারীয়া’ প্রার্থনা শেখান। আর কাথলিক খ্রিস্টবিশ্বাসী হিসেবে আমরা জপমালা প্রার্থনার মাধ্যমে ভক্তি, ভালবাসা, চাওয়া-পাওয়া, নিবেদন-আবেদন ও শ্রদ্ধা মায়ের মধ্য দিয়ে সকল উপহার ঈশ্বরকে দিয়ে থাকি। ভক্তির অর্ঘ্যের এই নিবেদনের মধ্য দিয়েই মা মারীয়াকে আমাদের পরিবারের রাণী, খ্রিস্টমণ্ডলীর মাতা এবং সকলের মা হিসেবে গ্রহণ ও বরণ করেছি।
বিরতির পর ছিলো পবিত্র খ্রিস্টযাগ। অংশগ্রহণকারী জগেশ পাহান বলেন, “আমি একজন গ্রাম প্রধান হিসেবে বলবো, গ্রাম পরিচালনা করতে গিয়ে অনেক সময় সমস্যায় পড়ি ও বিপদ-আপদ ও সংকটময় মুহূর্তে মা মারীয়ার মধ্যস্থতায় ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি। তাঁর বিশেষ কৃপা ও আশির্বাদে ভালো আছি ও গ্রাম অনেক ভালো পরিচালনা করছি।




