সংবাদদাতা: ফাদার সনেট কস্তা

রাজশাহী ধর্মপ্রদেশের আন্ধারকোঠা ধর্মপল্লীকে মারীয়া বাম্বিনা সিস্টার সম্প্রদায়ের মাতৃগৃহ বলা যেতে পারে। আটষট্রি বছরের পথচলায় এই সম্প্রদায় দুঃখী-দরিদ্র, অনাথ ও বিধবাদের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। ১৪ জুন মারীয়া বাম্বিনা সিস্টার সম্প্রদায় আনুষ্ঠানিকভাবে আন্ধারকোঠা থেকে বিদায় গ্রহণ করে। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতার খ্রিস্টযাগে পৌরহিত্য করেন ভিকার জেনারেল ফাদার ফাবিয়ান মার্ডী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পাল পুরোহিত ফাদার প্রেমু রোজারিও, ফাদার সনেট কস্তা এবং মারীয়া বাম্বিনা সিস্টারগণ।

খ্রিস্টযাগের উপদেশে ফাদার ফাবিয়ান মার্ডী দীর্ঘদিনের সেবা ও আত্মত্যাগের জন্য সিস্টারদের ধন্যবাদ জানান এবং তাঁদের নতুন কর্মস্থলে ঈশ্বরের আশির্বাদ কামনা করেন। খ্রিস্টযাগের পর ছিলো ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতার অনুষ্ঠান। আন্ধারকোঠা ধর্মপল্লীতে অর্ধশত বছরব্যাপী সেবাপ্রদানকারী সিস্টার কস্তান্তিনা রায় অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, আন্ধারকোঠাতে আমি দুইবারে পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে জনগণের জন্য কাজ করেছি। এখানে থাকতে আমার বেশ ভালোই লাগতো। শুরুর দিকে বিদেশী ফাদার-সিস্টারগণ এই ধর্মপল্লীর জনগণের জন্য কাজ করেছেন। ফাদার মাজ্জনী, পিমে তো জীবনই দিয়ে দিলেন। তবে এখনো জনগণের মধ্যে সচেতনতা ও খ্রিস্টিয় জীবনযাপনের চিত্র খুবই দুর্বল। সিস্টার কল্যাণী পালমা সংঘের প্রভিন্সিয়ালের পক্ষে আন্ধারকোঠা ধর্মপল্লীর খ্রিস্টভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ধর্মপল্লীর পাল পুরোহিত ফাদার প্রেমু রোজারিও বিদায়ী সিস্টারদের দীর্ঘ আটষট্রি বছরের আত্মনিবেদিত সেবা, ত্যাগ, ভালবাসা ও নিষ্ঠার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সিস্টারদের অবদান আন্ধারকোঠা ধর্মপল্লীর ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে এবং তাঁদের সেবার ফল আগামী প্রজন্মের মাঝেও জীবন্ত হয়ে থাকবে।

 

Please follow and like us: