সংবাদদাতা: লর্ড ডানিয়েল রোজারিও

রাজশাহী ধর্মপ্রদেশের মুন্ডুমালা ধর্মপল্লীতে অনুষ্ঠিত হলো উত্তর ভিকারিয়ার পালকীয় কর্মশালা। ২১ আগষ্ট অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী ধর্মপ্রদেশের ভিকার জেনারেল ফাদার ফাবিয়ান মার্ডী, উন্নয়ন প্রশাসক কর্মকর্তা ফাদার উইলিয়াম মুর্মু, ধর্মপ্রদেশেীয় পালকীয় সেবাদলের আহ্বায়ক ফাদার সাগর কোড়াইয়া, উত্তর ভিকারিয়ার আহ্বায়ক ফাদার বিশ্বনাথ মারান্ডীসহ বিভিন্ন ধর্মপল্লীর ফাদার, সিস্টার ও খ্রিস্টভক্ত প্রতিনিধিসহ ১৩০ জন উপস্থিত ছিলেন।  প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও উদ্বোধনী নৃত্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

বিশপ মহোদয়ের পালকীয় পত্রের তিনটি প্রশ্নের  আলোকে তিনজন বক্তা আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন এবং তাদের আলোচনার প্রেক্ষিতে তিনজন করে মোট ৯ জন তাদের অনুভূতি সহভাগিতা করেন।

ফাদার ফাবিয়ান মারান্ডী বলেন,  দীক্ষা গ্রহণের মধ্য দিয়ে  আমরা সবাই বাণীপ্রচারের দায়িত্ব লাভ করেছি। পোপ ফ্রান্সিস তাঁর পত্রে বলেছেন, খ্রিস্টে দীক্ষিত বলে আমরা শুধু যিশুর শিষ্য নই আমরা প্রেরিত। কাথলিক মণ্ডলীর  ধর্মশিক্ষা ও দ্বিতীয় ভাতিকান মহাসভায় বাণীপ্রচারের একটি বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। তাই আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব হলো বাণীপ্রচার।

সবিতা মারান্ডী দ্বিতীয় প্রশ্নের আলোকে আলোচনায় বলেন, পরিবারে বাণী প্রচারের জন্য আমাদের সবাইকে সজাগ হতে হবে।  আগে আমাদের প্রত্যেক পরিবারে রোজারিমালা প্রার্থনা হতো কিন্তু বর্তমানে তা হারিয়ে যাচ্ছে তাই আমাদের পরিবার থেকে বাণীপ্রচার শুরু করতে হবে।  আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বাণীপ্রচার করতে পারি।

কারিতাস রাজশাহী অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক ড. আরোক টপ্য তৃতীয় প্রশ্নের আলোকে বলেন, আমাদের সিনোডীয় পদ্ধতিতে সবাইকে সুযোগ প্রদান করতে হবে।  আমরা অনেক সময় ঈশ্বরকে ভুলে যাই তাই সর্বপ্রথম তার কাছে ফিরে আসতে হবে এবং নবরূপে বাণীপ্রচারের কাজ করতে হবে।

অংশগ্রহণকারী স্কলাস্টিকা বলেন, আমরা নতুনভাবে বাণীপ্রচারের কাজ আমাদের পরিবার ও সমাজ থেকে শুরু করব তাহলেই আমাদের জীবন সুন্দর হবে। এরপর ধর্মপল্লীভিত্তিক অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং তা উপস্থাপন করা হয়। পরিশেষে উত্তর ভিকারিয়ার আহ্বায়ক ফাদার বিশ্বনাথ মারান্ডী তার ধন্যবাদ বক্তব্যের মধ্য দিয়ে পালকীয় কর্মশালার সমাপনী ঘোষণা করেন।

 

Please follow and like us: