সংবাদদাতা: ফাদার স্বপন পিউরীফিকেশন
খ্রিস্টবিশ্বাসে আমরা প্রেরিত: ‘হায়রে আমি, মঙ্গলসমাচার যদি প্রচার না করি’, মুলসুরের আলোকে নবাই বইতলা ধর্মপল্লীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে পালকীয় সম্মেলন। ২৮ আগষ্ট অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে ৮০ জন অংশগ্রহণ করেন ৷
অনুষ্ঠানের শুরুতে ছিলো আসন গ্রহণ, প্রদীপ প্রজ্জলন, বাণীপাঠ, প্রার্থনা ও উদ্বোধনী নৃত্য। মুলসুরের উপর সহভাগিতায় ফাদার লিংকন কস্তা বলেন, বাণী প্রচারের তিনটি পথ বা উপায় রয়েছে- ১। জীবন-যাপন, আচার-আচারণ ও কথা-বাতায় খ্রিস্টের বাণী ঘোষণা ২। বাণী প্রচারকদের জন্য প্রার্থনা ৩। বাণী প্রচারকদের জন্য আর্থিক সহায়তা। বাণীপ্রচারের দায়িত্ব শুধু ফাদার-সিস্টার -কাটেখ্রিস্টদের নয়; আমাদের সবার। বাণীপ্রচার কাজে শিক্ষিত ছেলে-মেয়েদের এগিয়ে আসতে হবে। সত্য-ন্যায্যতা-ভালবাসা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে মঙ্গলবাণী প্রচারে ৷
‘মঙ্গলবাণী প্রচারে চ্যালেঞ্জ ও মঙ্গলবাণী প্রচারে আমার করণীয়’ বিষয়ে আলোচনা করেন ধর্মপ্রদেশের কাটেখ্রিস্ট গণেশ মিঞ্জ। তিনি বলেন, বাণীপ্রচারের চ্যালেঞ্জগুলো দারিদ্রতা, অসচেতনতা, আধুনিক প্রযুক্তির কুপ্রভাব, গ্রহণযোগ্যতার অভাব, স্বেচ্ছাসেবী মনোভাবের অভাব, নেশাগ্রস্থতা এবং স্বার্থপর মনোভাব। আমরা স্বেচ্ছাসেবক হয়ে, আর্থিক সহায়তা প্রদান, চেতনামূলক সেমিনার, পরিবারে নৈতিক-ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমে ও সুশিক্ষার উপর জোর দিয়ে মঙ্গলবাণী প্রচার করতে পারি।
এরপর চারটি দলে বিভক্ত হয়ে দলীয় আলোচনার মাধ্যমে ধর্মপল্লীর বাস্তবায়নযোগ্য কর্ম পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হয়।




