বরেন্দ্রদূত সংবাদদাতা

নবপ্রতিষ্ঠিত জয়পুরহাট ধর্মপ্রদেশের প্রথম বিশপ হিসেবে অভিষিক্ত হওয়ার পর বিশপ পল গমেজকে নিজ ধর্মপল্লী মথুরাপুরে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ১৪ আগষ্ট সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী ধর্মপ্রদেশের বিশপ জের্ভাস রোজারিও, রাজশাহী ও জয়পুরহাট ধর্মপ্রদেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ফাদার, সিস্টার এবং খ্রিস্টভক্ত।

পবিত্র খ্রিস্টযাগের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। খ্রিস্টযাগে প্রধান পৌরহিত্য করেন বিশপ পল গমেজ। বিশপ পল গমেজ খ্রিস্টযাগের উপদেশে বলেন, সেমিনারীতে আমার প্রবেশ, যাজকবরণ সংস্কার ও বিশপীয় অভিষেক লাভের ক্ষেত্রে বহু মানুষের অবদান রয়েছে। আজকে আমি সবাইকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করি। বিশেষ করে ফাদার এনরিকো ভিগানো, পিমেকে স্মরণ করি যিনি আমাকে সেমিনারীতে পাঠিয়েছিলেন। রাজশাহী ধর্মপ্রদেশের বিশপ জের্ভাস রোজারিও আমাকে সেমিনারীতে পড়িয়েছেন এবং যাজকীয় সেবাকাজে তিনি বিভিন্নভাবে আমাকে সহযোগিতা করেছেন। এছাড়াও জয়পুরহাট ধর্মপ্রদেশ স্থাপনে বিশপ জের্ভাস রোজারিও’র অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য বিশপকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।

খ্রিস্টযাগের পর ছিলো বিশপ পল গমেজের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণীর জনগণ ও অঙ্গসংগঠন বিশপকে শুভেচ্ছা প্রদান করেন। শুভেচ্ছা বক্তব্যে বিশপ জের্ভাস রোজারিও বলেন, বর্তমানে আমাদের পরিবারগুলো আধুনিক প্রযুক্তির নিকট জিম্মি হয়ে পড়ছে। আধুনিক সকল সুযোগ-সুবিধা আমরা মানুষের কল্যাণের জন্য ব্যবহার করবো ঠিকই তবে এগুলো যেন আমাদেরকে ধ্বংস করে না ফেলে। বিশেষ করে আমাদের ছেলেমেয়েদের খ্রিস্টিয় শিক্ষায় গড়ে তুলতে পিতামাতার বিকল্প কিছু নেই।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশপ পল গমেজ তাঁর নতুন দায়িত্ব পালনে সবার সহযোগিতা ও প্রার্থনা কামনা করেন। তিনি বলেন, ঈশ্বর ও পোপ লিও‘র প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ এবং সকলের প্রার্থনা ও সহযোগিতার মাধ্যমে জয়পুরহাট ধর্মপ্রদেশকে বিশ্বাস, শিক্ষা, নৈতিকতা ও সামাজিক উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে চান।

 

Please follow and like us: