বরেন্দ্রদূত সংবাদাতা: ফাদার জের্ভাস মুরমু
কারিতাস রাজশাহী অঞ্চলের ফাদার এফ. চেস্কাতো হলরুমে উত্তম মেষপালক কাথিড্রাল ধর্মপল্লীর পালকীয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ১১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত উক্ত কর্মশালায় ফাদার-সিস্টারসহ গ্রাম থেকে আগত ৮৫ জন অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালার মূলভাব ছিলো “খ্রিস্টবিশ্বাসে আমরা প্রেরিত: ‘হায়য়ে আমি মঙ্গলসমাচার যদি প্রচার না করি’ (১ম করিন্থীয় ৯:১৬)। প্রার্থনা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কর্মশালা শুরু হয়। উদ্বোধনী নৃত্য পরিবেশন করে স্নেহনীড়ের মেয়েরা।
বিশপীয় পালকীয় পত্রের প্রশ্নের আলোকে সহভাগিতায় সবিতা মার্ডী বলেন, প্রতিদিন পরিবারের সবাই মিলে একসাথে বাইবেল পাঠ ও প্রার্থনা করার অভ্যাস গড়ে তোলা দরকার। সন্তানদের ছোটবেলা থেকেই খ্রিস্টিয় মূল্যবোধ, ক্ষমা, নম্রতা এবং ঈশ্বরের প্রতি ভালোবাসার শিক্ষা দেওয়া জরুরী। সুসমাচার ঘোষণার মূল ভিত্তি হলো নিজের জীবনযাপন এবং আচরণের মাধ্যমে যিশু খ্রিস্টের প্রেম ও শিক্ষা প্রকাশ করা।
ফাদার ফাবিয়ান মার্ডী বলেন, দীক্ষার মাধ্যমে একজন বিশ্বাসী খ্রিস্টের সঙ্গে যুক্ত হয়ে রাজকীয়, যাজকীয় ও প্রাবক্তিক দায়িত্বের অংশীদার হন। দীক্ষা ও হস্তার্পণ সংস্কারের মাধ্যমে লাভকৃত পবিত্র আত্মা আমাদের সাহস, উৎসাহ এবং কথা বলার শক্তি জোগান। ভিনসেন্ট চঁড়ে পালকীয় প্রশ্নের প্রশ্নের আলোকে বলেন, নতুন করে বাণীপ্রচারের জন্য আধুনিক মাধ্যম এবং নতুন উৎসাহের সাথে যিশুর প্রেম ঘোষণা করতে পারি। প্রতিদিন সৎ ও দয়ালু আচরণ, ক্ষুদ্র দল ও বন্ধুদের নিয়ে ঘরে বাইবেল পাঠ, সামাজে দরিদ্র ও অসুস্থ মানুষের সাহায্য, পারিবারিক প্রার্থনা এবং সবার সাথে সম্প্রীতি বজায় রাখা দরকার।
এরপর উত্তর ভিকারিয়া পর্যায়ে অনুষ্ঠিত পালকীয় কর্মশালায় কাথিড্রাল ধর্মপল্লীর জন্য বাস্তবায়নযোগ্য যে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল সেগুলোর পুনরাবৃত্তি করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা পাঁচটি দলে বিভক্ত হয়ে কী কী উপায়ে ব্যক্তিগতভাবে পরিবার, সমাজ, নিজ সংস্কৃতি ও মণ্ডলী বাণীপ্রচার করা যায় তা আলোচনা করেন।




