সংবাদদাতা: ফাদার শেখর ফ্রান্সিস কস্তা

সুরশুনিপাড়া ধর্মপল্লীতে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী পালকীয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯ সেপ্টেম্বর উক্ত কর্মশালায় ফাদার-সিস্টারসহ ধর্মপল্লীর অন্তর্গত বিভিন্ন গ্রাম থেকে আগত ১২৫ জন অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালার মূলভাব ছিলো “খ্রিস্টবিশ্বাসে আমরা প্রেরিত: ‘হায়রে আমি মঙ্গলসমাচার যদি প্রচার না করি’ (১ম করিন্থীয় ৯:১৬)”।

কর্মসূচীর শুরুতে প্রার্থনা ও নৃত্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করা হয়। শুভেচ্ছা বক্তব্যে ফাদার প্রদীপ কস্তা কর্মশালার লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং খ্রিস্টিয় বিশ্বাস প্রসারে মণ্ডলীতে প্রত্যেকের দায়িত্ব ও গুরুত্ব তুলে ধরেন।

কর্মশালার আলোচনা পর্বে রাজশাহী ধর্মপ্রদেশের বিশপ জের্ভাস রোজারিওর পালকীয় পত্রের আলোকে  উপস্থাপনা প্রদান করেন ফাদার প্রশান্ত আইন্দ। উপস্থাপনা শেষে অংশগ্রহণকারীগণ পত্রটির ওপর তাদের অনুভূতি ও মূল্যবান মতামত ব্যক্ত করেন।

​বিরতির পর অনুষ্ঠিত হয় দলীয় আলোচনা।  উত্তর ভিকারিয়া পর্যায়ে অনুষ্ঠিত পালকীয় কর্মশালায় সুরশুনিপাড়া ধর্মপল্লীর জন্য বাস্তবায়নযোগ্য যে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল সেগুলোর আলোকে অংশগ্রহণকারীরা চারটি দলে বিভক্ত হয়ে কী কী উপায়ে ব্যক্তিগতভাবে, পরিবার, সমাজ, নিজ সংস্কৃতি ও মণ্ডলীতে বাণীপ্রচারে সক্রিয়, ফলপ্রসু  ও ব্যবহারিক ভূমিকা পালন যায় তা আলোচনা করেন। পরবর্তীতে প্রতিটি দল থেকে নির্বাচিত প্রতিবেদক তাঁদের প্রস্তুতকৃত প্রস্তাবনা ও প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।

সমাপনী পর্বে কর্মশালার ওপর দু’জন প্রতিনিধি তাঁদের সংক্ষিপ্ত মূল্যায়ন পেশ করেন। সর্বশেষ, ধর্মপল্লীর ভবিষ্যৎ কাজের সুবিধার জন্য ‘পালকীয় পরিষদ গঠন’ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করা হয়।

 

Please follow and like us: