সংবাদদাতা: লর্ড রোজারিও
রাজশাহী খ্রিস্টজ্যোতি পালকীয় কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হলো পুণ্য উপাসনার উদযাপন বিষয়ক গঠন প্রশিক্ষণ ও নির্দেশনা কর্মশালা। ৭-৯ আগষ্ট রাজশাহী ধর্মপ্রদেশীয় উপাসনা ও প্রার্থনা বিষয়ক কমিশনের আয়োজনে এই কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন বিশপ জের্ভাস রোজারিও, ফাদার লিংকন সামূয়েল কস্তা, ফাদার সুরেশ পিউরিফিকেশনসহ বিভিন্ন ধর্মপল্লী থেকে আগত সিস্টার, কাটেখিস্ট, সাক্রিস্তিয়ান ও সেমিনারিয়ানসহ ৯২ জন।
প্রথমদিন উদ্বোধনী নৃত্য ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। প্রার্থনা ও উপাসনা বিষয়ক কমিশনের আহ্বায়ক ফাদার লিংকন কস্তা উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, উপাসনা হলো খ্রিস্টমণ্ডলীর প্রাণকেন্দ্র আর তাই দ্বিতীয় ভাতিকান মহাসভার দলিলেও এটা গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করা হয়েছে। দ্বিতীয় ভাতিকান মহাসভার ১৬টি দলিলের প্রথম দলিলটি হলো উপাসনা বিষয়ক। অনেক সময় আমরা অসচেতনতার কারণে উপাসনার সৌন্দর্য নষ্ট করি তাই এই কর্মশালার মধ্য দিয়ে আপনারা শিখতে ও জানতে পারবেন উপাসনা কি এবং আপনার দায়িত্ব ও কর্তব্য।
দুইদিনব্যাপী অনুষ্ঠানে উপাসনার সৌন্দর্য ও সাজসজ্জা, সাক্রিস্তিয়ানের দায়িত্ব ও কর্তব্য, দ্বিতীয় ভাতিকান মহাসভার আলোকে পুণ্য উপাসনা ও প্রস্তুতি, উপাসনার পুস্তকসমূহের পরিচিতি বিষয়ে সেশন পরিচালনা করেন যথাক্রমে সিস্টার কল্যাণী পালমা, সিস্টার স্মৃতি রিবেরু, এসসি, ফাদার লিংকন কস্তা ও ফাদার সুরেশ পিউরিফিকেশন। সেশনগুলোর মধ্য দিয়ে অংশগ্রহণকারীরা তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে অবগত হয়েছেন।
কর্মশালার সমাপনীতে রাজশাহী ধর্মপ্রদেশের বিশপ জের্ভাস বলেন, আমরা অনেক সময় সচেতন হয়ে খ্রিস্টযাগে অংশগ্রহণ করিনা তাই উপাসনায় নানাধরণের বিঘ্ন তৈরি হয়। উপাসনায় সঙ্গীত অনেক বড় ভূমিকা পালন করে তাই আমাদের উপাসনা সঙ্গীতের বিষয়ে মনোযোগী এবং যথেষ্ট সচেতন হতে হবে। তোমরা যা শিখে যাবে ধর্মপল্লীতে গিয়ে তা প্রয়োগ করবে।




