সংবাদদাতা: ফাদার উজ্জ্বল গ্রেগরী
“খ্রিস্টবিশ্বাসে আমরা প্রেরিত; হায়রে আমি মঙ্গলবাণী যদি না প্রচার করি” বিষয়কে কেন্দ্র করে সাধু পিতরের সেমিনারীতে অনুষ্ঠিত হলো পালকীয় সম্মেলন। ৩০ সেপ্টেম্বর বিকালে উক্ত সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী ধর্মপ্রদেশের বিশপ জের্ভাস রোজারিও, ভিকার জেনারেল ফাদার ফাবিয়ান মার্ডী, ফাদার উইলিয়াম মুর্মু, ফাদার দিলীপ এস. কস্তা, সাধু পিতর সেমিনারীর পরিচালক ফাদার বিশ্বনাথ ফাউস্তিনো মারাণ্ডী, আধ্যাত্মিক পরিচালক ফাদার উজ্জ্বল বেনেডিক্ট গ্রেগরী ও সেমিনারীয়ানগণ।
সম্মেলনে শুভেচ্ছা বক্তব্যে ফাদার বিশ্বনাথ বলেন, সেমিনারীতে পালকীয় সম্মেলন করার অন্যতম কারণ হলো, সেমিনারীয়ানরা যেন ধর্মপ্রদেশের সাথে একাত্ম হয়ে ধর্মপ্রদেশ ও বিশপের চিন্তা-চেতনায় বেড়ে উঠতে পারে। সম্মেলনের মূলসুরকে কেন্দ্র করে যথাক্রমে তিনটি বিষয়ের উপর উপস্থাপনার পর নীরব ধ্যান, সহভাগিতা ও সেমিনারীয়ানদের বাণীপ্রচারক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক সাতটি অগ্রাধিকার নেওয়া হয়।
বাণীপ্রচারক হওয়ার পথে সিনোডীয় জীবন গঠন বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে ফাদার দিলীপ বলেন, কাথলিক মণ্ডলীর প্রকৃতি হলো মণ্ডলী এক, পবিত্র, সর্বজনীন ও প্রৈরিতিক। তাই আমাদের বাণীপ্রচার না করে চুপ থাকার কোন সুযোগ নেই। ফাদার ফাবিয়ান ‘দীক্ষাস্নানের গুণে বাণীপ্রচারে আমরা আহুত ও প্রেরিত’ বিষয়ক আলোচনায় প্রার্থনা প্রচার না করে, যার কাছে প্রচার করা হবে তার জন্য অন্তরালে প্রার্থনা করার আহ্বান জানান।
ফাদার উইলিয়াম মুর্মু তার উপস্থাপনায় বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাণীপ্রচারের চ্যালেঞ্জ ও সেমিনারীয়ান হিসেবে গঠন লাভের বিষয়ে বক্তব্য রাখেন। বিশপ জের্ভাস রোজরিও বলেন, সিনোডালিটির অন্যতম একটি প্রকৃতি হলো শ্রবণ করা। তাই আমাদের এমন শ্রোতা হতে হবে যেন অন্যের কষ্টকে আমরা সমানভাবে অনুভব করতে পারি।




