ফাদার সাগর কোড়াইয়া

ফাদার বার্ণার্ড রোজারিওকে ছোটবেলায় বেন্তু ফাদার নামে চিনতাম। ফাদার বার্ণার্ডের যাজকীয় অভিষেকের সময় আমি পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ি। এখনো মনে পড়ে- ৩০ ডিসেম্বর ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফাদার বার্ণার্ডের যাজকীয় অভিষেকের দিনটির কথা। ফাদার বার্ণার্ড রোজারিও ও ফাদার দিলীপ কস্তার অভিষেক একসাথে হয়েছিলো। ফাদার বার্ণার্ডের স্বাস্থ্য ছিলো হালকা-পাতলা গড়নের। আর ফাদার দিলীপের স্বাস্থ্য মোটামুটি ভালো। ছোটবেলায় সেই প্রথম কারো যাজকীয় অভিষেক প্রথম দেখা। অভিষেকের সেই দিনগুলোর কথা এখনো মনে পড়ে। দুইজন ফাদারের বাবা-মা তখনো জীবিত। সন্তানদেরকে বিশপের নিকট সমর্পণের দৃশ্যটি ছিলো বেশ আবেগপ্রবণ।

ফাদার বার্ণার্ড, ফাদার দিলীপ, ফাদার সুশান্ত, ফাদার লাজারুস ও ফাদার বার্ণার্ড টুডু ক্লাসমেট। ২০২২ খ্রিস্টাব্দে উনারা যাজকীয় অভিষেকের পঁচিশ বছরের জুবিলী পালন করেছেন। সেই সময় ফাদার বার্ণার্ড রোজারিও’র সাথে বসে শ্রুতিলেখক হিসেবে ফাদার দিলীপের জুবিলী স্মরণিকার জন্য ফাদার দিলীপের সাথে তার জীবনের অনেক স্মৃতি লিখেছিলাম। এক জায়গায় ফাদার বার্ণার্ড নিজের বিষয়ে বলেছেন, ১৭ অক্টোবর ১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দে বোর্ণী গ্রামে আমার জন্ম। ফাদার দিলীপের সাথে আমার পরিচয় ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দে। স্কুল জীবনে ধর্মপল্লী ও স্কুলের অন্যান্য কাজে আমাদের দুজনের তেমন কোন সম্পৃক্ততা ছিলো না। প্রাইমারী স্কুলে পড়াকালীন সময়ে আমরা লুঙ্গি এবং হাফপ্যান্ট পড়ে স্কুলে যেতাম। ছাত্র জীবনে আমরা দু’জনে কিছুটা ভীতু ছিলাম বলা চলে। শিক্ষকদের ভীষণ ভয় পেতাম। স্কুলজীবনে সব কিছুতেই নিজেকে লুকিয়ে রাখতে চাইতাম।

পড়াশুনায় যেহেতু দুর্বল ছিলাম তাই লুকানোর মনোভাব কাজ করতো। সে সময় ওয়াইসিএস ছাড়া ছেলেমেয়েদের তেমন কোন সংঘ-সমিতি ছিল না। খ্রিস্টযাগে দু’একবার সেবক হয়েছিলাম তবে কিছুটা ভীতিপূর্ণ মনোভাব নিয়ে। সিস্টার এনরিকা কস্তা, এসসি আমাদের ধর্ম পড়াতেন। এছাড়া তিনি স্কুলে ইংরেজী শিক্ষক ছিলেন। তাঁর সাথে আমাদের আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। আমি ইংরেজি কিছুই বুঝতাম না। সিস্টার আমাকে ও দিলীপকে বেশ উৎসাহিত করতেন সেমিনারীতে যাওয়ার জন্য। আমি না বুঝেই বলতাম যে, সেমিনারীতে যাবো। আর সে কারণে প্রতিদিন খ্রিস্টযাগে যাবার চেষ্টা অব্যাহত ছিলো। মিশনের কাজেও অংশগ্রহণ করতাম। পরবর্তীতে দিনাজপুরে মাইনর সেমিনারীতে যোগ দিই।

ফাদার বার্ণার্ড রোজারিও’র সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে। আমি তখন রহনপুর ধর্মপল্লীতে সহকারী পুরোহিত হিসেবে কাজ করছি। ফাদার বার্ণার্ড রোজারিও রহনপুরে পাল পুরোহিতের দায়িত্ব নিয়ে এসেছেন মাত্র। ফাদার বার্ণার্ডের সাথে আগে থেকেই পরিচয় এবং ভালো সম্পর্ক ছিলো। যেহেতু ফাদার গান গাইতে ভালোবাসতেন এবং আমিও মোটামুটি গান গাই তাই আমার মনে হয় ফাদার আমাকে পছন্দ করতেন। রহনপুর ধর্মপল্লীতে ফাদার বার্ণার্ডের চেয়ে আমি পুরাতন; এলাকা ও মানুষের সাথে পরিচয় আমারই বেশী। তাই ফাদার রহনপুর ধর্মপল্লীতে এসে নিজে থেকে একাকী কোনদিনই কোন কিছু করার চেষ্টা করেননি। বরং সব কাজেই তিনি আমাকে জড়িত করতেন। আমি অবাক হতাম তিনি আমার পরামর্শ ও চিন্তাকে গুরুত্ব দিতেন। আর আমিও স্বাধীনভাবে ফাদারের পরামর্শে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। একসাথে আশেপাশের ধর্মপল্লীগুলোতে মাঝে মাঝেই বেড়াতে যেতাম।

ফাদার বার্ণার্ড কৃষিকাজে বেশ অভিজ্ঞ ছিলেন। কথায় বলে, ‘একজন আদর্শ কৃষককে প্রতিদিনই জমিতে যেতে হয়’। আমার মনে হয়- ফাদার বার্ণার্ড একজন আদর্শ কৃষকই ছিলেন। দাঁরকা (ধানের খড় নাড়াবার লাঠিবিশেষ) হাতে প্রতিদিন জমিতে যাবার অভ্যাস ফাদারকে আদর্শ কৃষকই করে তুলেছে। উনাকে একজন সাদাসিধে প্রকৃতির বলে মনে করি। আর এর বহুবিধ কারণ রয়েছে। যে কোন স্থানে যে কারো সাথে বসে খাবার খাওয়ার মতো রুচি ফাদারের মধ্যে রয়েছে। এছাড়াও ফাদারের মধ্যে আলাদা একটা সৌন্দর্যবোধ ও পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার প্রচেষ্টা লক্ষ্যণীয়। মনে পড়ে- রহনপুর ধর্মপল্লীতে যাবার পর তিনি ধর্মপল্লী প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু করেন। নিজে কোদাল-কুড়াল হাতে পরিষ্কারের কাজে লেগে পড়েন।

দরিদ্র্যদের প্রতি ফাদারের একটা আলাদা হৃদয় ছিলো। একদিন রহনপুর ধর্মপল্লীতে সদ্য বিধবা হওয়া যুবতী এক মহিলা কোলের জমজ দু’সন্তানকে নিয়ে অন্যের বাড়িতে রান্নার জন্য চাউল চাইতে গেলে আমার সাথে দেখা। মহিলার ঘরে চাউল নেই জানতে পেরে মিশনে এসে ফাদারকে জানালাম। ফাদার সাথে সাথে মহিলাকে ডেকে রান্নার চাউল, মাছ ও নানান পদের সবজী দিয়ে দিলেন। এ ধরণের আরো বহু ঘটনা বিভিন্ন সময়ে ঘটেছে। শিশুদের নিয়ে ফাদার বেশ ভাবতেন। প্রতিদিন ভোরের খ্রিস্টযাগের পর কোনদিন শিশুদের টিফিন আবার কোনদিন অন্য কিছু দিতেন। আর তা দেখে ভোরের খ্রিস্টযাগে শিশুদের সংখ্যা বেড়ে যায়। খ্রিস্টযাগের পর শিশুরা লাইন ধরে ফাদারের সাথে দেখা করে হ্যাণ্ডসেক করে। কোন ফাদারই পরিবারের বাইরে নয়। ফাদার বার্ণার্ডের পরিবারের ভাতিজি-ভাতিজা, ভাগিনা-ভাগিনীদের প্রতি আলাদা একটা দরদবোধ ছিলো।

রহনপুর ধর্মপল্লীতে বোর্ডিং-এর ছেলেমেয়েদের প্রতি ফাদার আলাদা চিন্তা কাজ করেন। বিশেষভাবে বোর্ডিং-এর ছেলেমেয়েদের দৈহিক-মানসিক গঠনের প্রতি ফাদার সচেতন। দেখেছি বোর্ডিং-এর ছেলেমেয়েদের বিছানাপত্র ফাদার নিজ হাতে গুছিয়ে দিয়ে ওদের শিক্ষা দিতেন। করোনাকালীন সময়ে স্কুল বন্ধ; বোর্ডিং এর অধিকাংশ ছেলেমেয়ে বাড়িতে। ১০/১২ জন তখনো বোর্ডিংএ রয়েছে। জমিতে কাজের চাপ। ফাদার আমাকে বলতেন, ছেলেমেয়েরা পড়াশুনা করবে না এখন। তাই রাতে ওদের সিনেমা দেখাও; কিছুটা হলেও কাজে দিবে। আমি দেখেছি- ফাদারের সাংগঠনিক দক্ষতা চমৎকার। কার মাধ্যমে কাজ আদায় করা যাবে তা তিনি জানতেন। করোনাকালীন বোর্ডিং এর ছেলেমেয়ে কম থাকায় একবার গ্রামের খ্রিস্টভক্তদের জমিতে কাজ করার কথা বলাতে অনেকে বিনাপারিশ্রমিকে কাজ করে দেন। বিনিময়ে ফাদার তাদের জন্য ভালো খাবারের ব্যবস্থা করেন। ‘জীবে প্রেম করে যে জন সে জন সেবিছে ঈশ্বর’ বাক্যটি ফাদার বার্ণার্ডের জীবনে যেন মূর্ত হয়ে ধরা দিয়েছে। ফাদারের মধ্যে দেখেছি পশুপ্রেম তীব্র; যে কোন ধরণের গৃহপালিত পশু; বিশেষভাবে কুকুরের প্রতি ফাদারের টান ছিলো অনুকরণীয়।

এখনো মনে পড়ে সহকারী পুরোহিতের প্রতি ফাদারের দরদবোধ এবং স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেবার মনোভাব। তিনি সব সময়ে বলতেন, তোমার যা কিছু প্রয়োজন পড়বে কিনবে; তবে হিসাবের খাতায় লিখতে কখনো ভুলবে না। আমি অভিজ্ঞতা করেছি- ফাদার সহকারী পুরোহিতকে কোন দায়িত্ব দিলে অযথা খবরদারি করতেন না; আমার মনে হয় তিনি চাইতেন যেন বুদ্ধি, অভিজ্ঞতা, চিন্তা ও পরিকল্পনা ব্যবহার করে সহকারী পুরোহিত নিজে কাজ করতে পারেন। তবে সমস্যা হলে তিনি পরামর্শ দিতে কার্পণ্য করেননি কখনো। ফাদার বার্ণার্ড সামাজিক কর্মকাণ্ড ভালো বুঝতেন। সামাজিক সভা-সমাবেশে কখন, কিভাবে, কতটুকু, কি বলতে হবে তিনি সে বিষয়ে বেশ অভিজ্ঞ ছিলেন। ফাদার বার্ণার্ড রোজারিও’র সমন্ধে বলতে গেলে বহু গুণাবলী এসে হাজির হবে। তবে সবচেয়ে বড় বাস্তবতা হলো মানুষের দুর্বলতা থাকা সত্ত্বেও সবলতা মানুষকে বড় করে তুলে।

খাবারের বেলায় ফাদার বার্ণার্ড রোজারিও ছিলেন বেশ সৌখিন। কফির সাথে দুধ ও চিনি মিশিয়ে খেতে পছন্দ করতেন। সেটা আবার যেই সেই খাওয়া নয়; দিনে আনুমানিক আট-দশ কাপ কফি খেতেন তিনি। এছাড়াও ধুমপানের প্রতি আসক্ত ছিলেন। আমি রহনপুর ধর্মপল্লীতে থাকাকালীন ফাদারের জন্য সব সময় কোকাকলা দিয়ে ফ্রিজ ভর্তি করে রাখতাম। জমি থেকে ঘুরে এসেই তিনি গ্লাসে করে কোকাকলা খেয়ে নিতেন। তবে খাওয়ার ধরণটা ছিলো ভিন্ন। তিনি অন্যকে খাওয়াতে বেশ পছন্দ করতেন। রহনপুর ধর্মপল্লীতে আসার পর ফাদার বার্ণার্ড বোর্ডিং এর ছেলেমেয়েদের খাবারের মান উন্নয়ন করেন। ফাদার বার্ণার্ডকে বাহির থেকে দেখে কঠিন প্রকৃতির মনে হলেও আসলে ভিতরে একটা শিশু মন ছিলো। সহজ-সরলভাবে অনেক কথা তিনি বলে ফেলতেন। আর এই কারণে উনাকে অনেক সময় বিড়ম্বনায়ও পড়তে হয়েছে।

ফাদার বার্ণার্ড রোজারিও আরেক জায়গায় বলেছিলেন, আমি কোনদিন ভাবিনি ফাদার দিলীপ আর আমি একসাথে অভিষেক লাভ করবো। অভিষেকের আগের সময়গুলোতে দিলীপের মানসিক কষ্ট আমাকেও কষ্ট দিয়েছে। আমি সে সময় দিলীপকে দেখেছি ও কতটুকু ধৈর্য্য ধরে রাখতে পারে। সবাই জানে যে, দিলীপ ও আমার বন্ধুত্ব বেশ জোরালো। বিভিন্ন সময় মতের অমিল হয়েছে তবে পথের ভিন্নতা কখনো দেখা যায়নি। ফাদার দিলীপ সব সময় যুক্তি ও বুদ্ধি দিয়ে কথা বলতো। এ ছাড়া ফাদার দিলীপ যাজকীয় জীবনে ধর্মপল্লী, গঠনগৃহ, অধ্যাপনাসহ ধর্মপ্রদেশের নানা কাজে জড়িত আছেন। তবে আমি ছিলাম ভিন্ন। আমি সব সময় আবেগ দিয়ে কথা বলতাম বলে ক্ষণিকের জন্য দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে। তবে কখনো সে দূরত্ব দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। আমরা দু’জনই আমাদের সুখ-দুঃখের কথা সহভাগিতা করি। মজার বিষয় হচ্ছে- আমরা দু’জন দু’জনকে আপনি সন্মোধন করে থাকি।

ফাদার বার্ণার্ড রোজারিও’র অসুস্থতার শুরুর দিনটির কথা আমার মনে আছে। তখন ফাদার বার্ণার্ড মথুরাপুর ধর্মপল্লীর পাল পুরোহিত। একদিন রাজশাহী পাস্টোরাল সেন্টারে তিনি একটি মিটিংএ এসেছেন। মিটিং চলাকালীন ফাদার বারবার টয়লেটে যাচ্ছিলেন। পরে আমাকে বললেন যে, পেটটা ভালো নেই। এরপর শুনলাম- প্রায় মাসখানেক যাবৎ তিনি পেটের পীড়ায় ভুগছেন। ডাক্তার দেখানোর পর সমস্যার কথা জানতে পারেন। কিন্তু ততদিনে অনেক সময় পাড় হয়ে গিয়েছে। ধীরে ধীরে স্বাস্থ ভেঙ্গে পড়ছে। ক্যামোথেরাপী নেওয়া হয়েছে। অনেক সময় ফাদারকে দেখে মনে হয়েছে তিনি সুস্থ্য হয়ে যাচ্ছেন। তবে তিনি যে বেশ দুর্বল তা বুঝা যেতো। এখানে একটি বিষয় না বললেই নয়- মথুরাপুর ধর্মপল্লীর জনগণ ফাদার বার্ণার্ডকে অনেক ভালবাসতেন। কারণ মথুরাপুর ধর্মপল্লীর একটি ক্রাইসিসের সময়ে তিনি হাল ধরে মথুরাপুরকে আবার জীবন্ত করে তুলেছিলেন। আর ফাদার বার্ণার্ডও মথুরাপুর তথা মথুরাপুরের খ্রিস্টভক্তদের যে ভালবাসতেন; সেটা জনগণ স্পষ্টই বুঝতে পারতো।

ফাদার বার্ণার্ড ক্যান্সারে ভোগার সময় অনেক শারীরিক যন্ত্রণা পেয়েছেন। যন্ত্রণা সইতে না পেরে ঈশ্বরকে দোষারোপ করতেন। জানি- সেটা ছিলো ঈশ্বরের প্রতি অভিমানের অভিব্যক্তি; তবে শেষদিকে ঈশ্বরের কাছে চলে যাবার আকুল আকুতি ফাদার বার্ণার্ডের কণ্ঠ দিয়ে প্রকাশ পেয়েছে। আর ঈশ্বরও তাঁর এই ভক্তসেবকের আকাঙ্খা পূর্ণ করেছেন। ২৮ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে সকালবেলা ফাদার বার্ণার্ড রোজারিও (বেন্তু) মৃত্যুবরণ করেন। আমি তখন আমেরিকায়। ফাদারকে শেষ দেখা হয়নি না। তবে আমেরিকায় যাওয়ার আগে বিশপ হাউজে ফাদারের সাথে শেষ সাক্ষাৎ করেছিলাম। আমি ছিলাম কালো টিশার্ট পরিহিত অবস্থায়। ফাদার আমার শরীরের টিশার্টের একটি অংশ ধরে নিজের শরীরের সাথে স্পর্শ করছিলেন। আর কান্নাজড়িত বললেন, এই ধরণের কত গেঞ্জি আমার আলমারিতে পড়ে আছে। ফাদার বার্ণার্ডের সাথে সেই আমার শেষ দেখা। ফাদার সুরশুনিপাড়া, বনপাড়া, চাঁদপুকুর, ফৈলজানা, গুল্টা, মহিপাড়া, রহনপুর, বেণীদুয়ার ও মথুরাপুরে পালকীয় সেবাকাজ করেছেন। আজ তিনি ইহলোকে নেই; তবে বেঁচে আছে বিভিন্ন ধর্মপল্লীতে রেখে যাওয়া তাঁর কাজ ও স্মৃতিগুলো।

 

Please follow and like us: