বরেন্দ্রদূত সংবাদদাতা
ঈশ্বরের অপূর্ব সৃষ্টি ও আমাদের অভিন্ন পৃথিবীকে সুরক্ষার আহ্বানের মধ্য দিয়ে পালিত হলো সৃষ্টি উদযাপন রবিবার। ৬ সেপ্টেম্বর পবিত্র খ্রিস্টযাগ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়। খ্রিস্টযাগ উৎসর্গ করেন বিশপ জের্ভাস রোজারিও। এছাড়াও ফাদার, ব্রাদার, সিস্টার ও খ্রিস্টভক্তগণ উপস্থিত ছিলেন। দিনটির মূল উদ্দেশ্য ছিল- ঈশ্বরের সৃষ্টির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং প্রকৃতি, পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় মানুষের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা।
খ্রিস্টযাগের উপদেশে বিশপ জের্ভাস রোজারিও বলেন, পৃথিবী কেবল মানুষের ভোগের বস্তু নয়; এটি ঈশ্বরের অর্পিত একটি মূল্যবান উপহার ও আমাদের অভিন্ন আবাস। তাই পরিবেশ দূষণ, পানির অপচয়, নির্বিচারে গাছ কাটা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের অপব্যবহার থেকে বিরত থাকা প্রত্যেক মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। পবিত্র খ্রিস্টযাগে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে পৃথিবী ও পরিবেশের সুরক্ষার জন্য প্রার্থনা করা হয়। একই সঙ্গে জল সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো এবং পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
২০২৬ খ্রিস্টাব্দের বার্তায় পোপ লিও সৃষ্টির যত্ন, শান্তি ও মানুষের কল্যাণের সঙ্গে পরিবেশ রক্ষার সম্পর্ক তুলে ধরেছেন। তাঁর বার্তার মূল ভাবনা হলো- ধ্বংস ও সহিংসতার পরিবর্তে জীবন, শান্তি ও সৃষ্টির কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়া।
খ্রিস্টযাগের পর বিশপ ও অন্যান্যরা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। সৃষ্টি উদযাপন রবিবারের এই আয়োজনের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা “সৃষ্টির যত্ন, জীবনের যত্ন”- এই আহ্বানে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর, নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেন।




