সংবাদদাতা: ফাদার স্বপন পিউরীফিকেশন, ফাদার মুকুট বিশ্বাস ও ফাদার মিন্টু যোহন রায়
নবাই ধর্মপল্লীতে শিশু মারীয়ার পর্ব মহাসমারোহে উদযাপন করা হয়। ৮ সেপ্টেম্বর পর্বে ১২০ জন অংশগ্রহণ করেন। পর্ব উদযাপনের আধ্যাত্মিক প্রস্তুতিস্বরপ নয়দিনের নভেনা ও পাপস্বীকারের আয়োজন করা হয়। পর্বীয় খ্রিস্টযাগ উৎসর্গ করেন ফাদার স্বপন পিউরীফিকেশন। খ্রিস্টযাগের উপদেশে তিনি মা মারীয়ার নম্রতা, পবিত্রতা, আজ্ঞাবহতা ও নিজেকে সস্পূর্ণরূপে পিতার চরণে সমর্পণ বিষয়ে কথা বলেন। খ্রিস্টযাগের পরে নবাই বটতলা ধর্মপল্লীতে কর্মরত মারীয়া বাম্বিনা সম্প্রদায়ের সিস্টারদের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা হয়।
একই দিনে রহনপুর ধর্মপল্লীতেও মা মারীয়ার জন্মোৎসব ও মারীয়া সেনাসংঘের পর্ব উদযাপন করা হয়। বিভিন্ন গ্রাম থেকে ৮২ জন মারীয়া সেনাসংঘের সদস্যাগণ অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও ফাদার, সিস্টার, ছেলে-মেয়েসহ মোট ১৩০ জন খ্রিস্টবিশ্বাসী এ পর্বীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। পর্ব উপলক্ষে ৯ দিনব্যাপি নভেনা ও পাপস্বীকারের আয়োজন করা হয়।
পর্বীয় খ্রিস্টযাগে প্রধান পৌরহিত্য করেন ফাদার সুশান্ত ডি’কস্তা। তিনি উপদেশে মা মারীয়ার জীবনের গুণাবলী সম্পর্কে কথা বলেন। বিশেষ করে মারীয়ার বিশ্বাস, ভালোবাসা, বিশ্বস্ততা, প্রার্থনাময় জীবন, নম্রতা, সরলতা ও দয়ার বিষয় ব্যাখ্যা করেন।
খ্রিস্টযাগ শেষে মা মারীয়ার প্রতি কাথলিকদের বিশ্বাস সম্পর্কে সহভাগিতা করেন ফাদার সুশান্ত ডি’কস্তা এবং মাদার তেরেজা সম্প্রদায়ের একজন সিস্টার। এরপর মারীয়া সংঘের সেনাসদস্যাগণ নিজ জীবনে মা মারীয়ার আশীর্বাদের বিষয়ে আলোচনা করেন।
ভূতাহারা ধর্মপল্লীতেও একইদিনে মা মারীয়ার জন্মোৎসব পালন করা হয়। পর্বীয় খ্রিস্টযাগে পৌরহিত্য করেন দেলোয়াবাড়ি ধর্মপল্লীর পাল পুরোহিত ফাদার পাত্রাস হাঁসদা। এছাড়াও ধর্মপল্লীর সহকারী যাজক ফাদার যোহন মিন্টু রায় এবং ফাদার মাইকেল হেম্ব্রম উপস্থিত ছিলেন। খ্রিস্টযাগের উপদেশে ফাদার পাত্রাস হাঁসদা কুমারী মারীয়ার বিভিন্ন গুণাবলী তুলে ধরে তা অনুসরণ এবং পরিবারে জপমালা প্রার্থনা করতে সকলকে অনুপ্রাণিত করেন। খ্রিস্টযাগ ও মধ্যাহ্নভোজের পর ছিল মায়েরদের খেলাধুলা এবং ক্ষুদ্র সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শেষে পুরস্কার বিতরণী।





