সংবাদদাতা: ফাদার মুকুট গ্রেগরী বিশ্বাস
সাধু যোসেফের ধর্মপল্লী, রহনপুরে অনুষ্ঠিত হলো পালকীয় কর্মশালা। ৩০ অক্টোবর ফাদার, সিস্টার, স্বেচ্ছাসেবক-সেবিকা ও বিভিন্ন গ্রাম থেকে ১০৬ জন খ্রিস্টবিশ্বাসী এ পালকীয় কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। প্রার্থনা, মোমবাতি প্রজ্বলন, বাণীপাঠ ও নৃত্যের মাধ্যমে কর্মশালার উদ্ধোধন হয়। রহনপুর ধর্মপল্লীর পাল পুরোহিত ফাদার সুশান্ত ডি’কস্তা সকলের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদানের মধ্য দিয়ে কার্যক্রম শুরু করেন।
পালকীয় কর্মশালার মূল আলোচ্য বিষয়বস্তু ছিল- ‘খ্রিস্টবিশ্বাসে আমরা প্রেরিত: হায়ের আমি, মঙ্গলচার যদি না প্রচার করি’ (১ম করিন্থ ৯:১৯)। ফাদার উইলিয়াম মুর্মু সিনোডীয় মণ্ডলীতে সামাজিক ও বৈবাহিক সমস্যার সমাধানে খ্রিস্টভক্ত হিসেবে আমাদের করণীয় বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, বর্তমান যুগে মণ্ডলীতে বৈবাহিক সমস্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানে অনেক সময় বিভিন্ন বাঁধাবিপত্তির সম্মুখীন হতে হয়। তিনি বলেন যে, এ বিষয়ে প্রথমত আমাদের পরিবারগুলোকে আরো বেশি সচেতন হতে হবে। পারিবারিকভাবে আমরা যদি এ বিষয়ে সচেতন থাকি এবং ছেলে-মেয়েদের বুঝাতে পারি তবে কিছুটা হলেও এ সমস্যার সমাধান করা সহজ। আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে বেশ কিছু প্রশ্ন উঠে আসে।
ফাদার যোহন মিন্টু রায় মূল বিষয়ের উপর সহভাগিতা করেন। তিনি অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করে বলেন, খ্রিস্টবিশ্বাসী হিসেবে আমরা কীভাবে মঙ্গলসমাচার করতে পারি? অংশগ্রহণকারীগণ বলেন, আমরা আমাদের জীবনাচারণ দিয়ে, কাজের মাধ্যমে, পারিবারিক ও দলগতভাবে মাণ্ডলীক সেবামূলককাজে অংশগ্রহণ করে মঙ্গলবাণী প্রচার করতে পারি। ফাদার মিন্টু যোহন অংশগ্রহণকারীদের উত্তরগুলোর আলোকে আলোচনাকে আরও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেন।
পরিশেষে, ফাদার সুশান্ত ডি’কস্তা সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।




